ছোট বাচ্চাদের (১-১০ বছর বয়সী) সুস্থ, সবল ও সজীবভাবে বেড়ে ওঠার জন্য ৬০টি উপায় দেওয়া হলো:

 

ছোট বাচ্চাদের (১-১০ বছর বয়সী) সুস্থ, সবল ও সজীবভাবে বেড়ে ওঠার জন্য ৬০টি উপায় দেওয়া হলো:



১–২০: পুষ্টিকর খাবার

প্রতিদিন সুষম খাদ্য দিন (শস্য, সবজি, ফল, প্রোটিন, দুগ্ধজাত দ্রব্য)

ঘরে তৈরি খাবার খাওয়ান

বেশি পানি পান করানো অভ্যাস করান

শাকসবজি খাওয়ার প্রতি উৎসাহ দিন

সকালে নাশতা খাওয়ান

অতিরিক্ত মিষ্টি বা চিনি এড়িয়ে চলুন

ফাস্টফুড ও সফট ড্রিংক কম দিন

ফলমূল নিয়মিত দিন

ডিম খাওয়ান – প্রোটিনের ভালো উৎস

প্রতিদিন দুধ খাওয়ান

বাদাম জাতীয় খাবার দিন (বয়স উপযোগী হলে)

ঘন ঘন ছোট পরিমাণে খাবার দিন

হাইড্রোজেনেটেড তেল এড়িয়ে চলুন

ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার দিন

আয়রন ও জিংকসমৃদ্ধ খাবার দিন

ভিটামিন সি-যুক্ত ফল (লেবু, কমলা) দিন

বাচ্চার খাবারে বৈচিত্র আনুন

হাইজিন মেনে খাবার তৈরি করুন

বাইরের খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন

বাচ্চাকে নিজ হাতে খেতে উৎসাহিত করুন

২১–৪০: স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

প্রতিদিন গোসল করান

দাঁত ব্রাশ করার অভ্যাস করান

নিয়মিত নখ ও চুল কাটান

পরিষ্কার জামাকাপড় পরান

ঘামলে জামা পাল্টান

পায়ে জুতা পরার অভ্যাস করান

সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার শিক্ষা দিন

ঘুমানোর আগে মুখ ধোয়া

টয়লেট ব্যবহারের পরে হাত ধোয়া শেখান

ঘন ঘন হাত ধোয়ার অভ্যাস

মাসে একবার হেয়ার ওয়াশ বা তেল-ম্যাসাজ করুন

সিজন অনুযায়ী পোশাক পরান

ইনফেকশন থেকে দূরে রাখুন

টিকা সময়মতো দিন

ঠান্ডা-জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন

কাশি বা হাঁচির শিষ্টাচার শেখান

খেলাধুলা করার সময় হেলমেট বা সুরক্ষা সামগ্রী দিন

ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখুন

ধুলাবালি বা ধোঁয়া থেকে দূরে রাখুন

তামাক ও ধূমপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখুন

৪১–৬০: মানসিক ও শারীরিক বিকাশ

প্রতিদিন খোলা জায়গায় খেলতে দিন

স্ক্রিন টাইম (মোবাইল/টিভি) সীমিত করুন

গল্পের বই পড়তে উৎসাহ দিন

গান, ছবি আঁকা বা হস্তশিল্প করতে দিন

সামাজিক আচরণ শেখান

নিয়মিত ঘুম (১০-১২ ঘণ্টা) নিশ্চিত করুন

রুটিন অনুযায়ী ঘুম ও খাওয়ার সময় নির্ধারণ করুন

ভালো কাজের জন্য প্রশংসা করুন

দোষারোপ না করে বোঝান

পারিবারিক সময় দিন

তাদের মতামতকে মূল্য দিন

সহানুভূতিশীল হোন

চাপ বা ভয় না দিন

ছোট ছোট কাজের দায়িত্ব দিন

নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করুন

ধর্মীয় বা নৈতিক শিক্ষা দিন

ধৈর্য ও শিষ্টাচার শেখান

খেলাধুলা ও শারীরিক ব্যায়ামে অংশ নিতে উৎসাহ দিন

স্বাস্থ্য পরীক্ষা বছরে একবার করুন

সবসময় ভালোবাসা ও যত্নে রাখুন

Post a Comment

0 Comments